এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির নিট মুনাফা বেড়েছে ৩১ শতাংশ। গতকাল অনুষ্ঠিত সভায় চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের ঋণ ও বিনিয়োগ পোর্টফোলিও ২ দশমিক ৩৮ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ৩৩৯ কোটি ৬০ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। আলোচ্য প্রান্তিক শেষে কোম্পানিটির আমানতের পরিমাণ ৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৮৫ কোটি টাকায়। চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল ৩ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৯৪ পয়সায়।
কোম্পানির আর্থিক ফলাফলের বিষয়ে ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবুল আহসান বলেন, ‘২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের ফলাফল আমাদের ব্যবসার ইতিবাচক গতি ও ধারাবাহিক অগ্রগতিকে প্রতিফলিত করে। কর-পরবর্তী নিট মুনাফায় ৩১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, ঋণ পোর্টফোলিও ও আমানত বৃদ্ধির সঙ্গে মিলিয়ে আমাদের বহুমুখী ব্যবসায়িক মডেলের শক্তিকে আরো সুস্পষ্ট করেছে। আমরা আমাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য টেকসই রিটার্ন নিশ্চিত করতে এবং গ্রাহকদের উৎকৃষ্ট সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৯০ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৮৪ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের ইপিএস হয়েছে ৭৬ পয়সা।